Monday, November 7, 2016

আমার মেয়েটা মারা যাবে

আপা, ডাক্তার বলছে, হাতে সময় খুব বেশি নেই। দেশে কোনো চিকিৎসাও নাকি নেই। ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করতে হলে তো অনেক টাকা লাগে। আমার মেয়েটা মারা যাবে?’ এক দমে কথাটুকু বললেন ফাতেমা বেগম। তারপর তাঁর চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়া পানিতে শাড়ির আঁচল ভিজতে থাকে। একটু পরে বলেন, ‘মেয়েটাকে বাঁচানোর কোনো উপায় নেই? মেয়েটা পড়াশোনায় ভালো। এখন পড়াশোনা তো দূরের কথা, বাঁচানোই দায়!’ ফাতেমা বেগমের মেয়ে শামীমা আক্তার। তিনি রাজধানীর হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞান (অ্যাকাউন্টিং) বিভাগ থেকে বিবিএতে অনার্স পাস করেছেন। ছোটবেলায় পোলিও রোগে আক্রান্ত হন। এতে ডান পা পঙ্গু হয়ে যায়। ২০১১ সালে ওই পায়ে পাঁচটি অস্ত্রোপচার করা হয়। তারপর চিকিৎসকেরা ওই ডান পা হাঁটুর ওপর থেকে কেটে ফেলতে বাধ্য হন। কৃত্রিম পা দিয়েই চলাফেরা করছিলেন শামীমা। কিন্তু দুই বছরের মাথায় কাটা পায়ে টিউমার হয়। চিকিৎসকদের মতে, এই টিউমার বর্তমানে ক্যানসারের মতোই মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। ঢাকার কয়েকটি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা হাল ছেড়ে দিয়েছেন। তাঁরা শামীমাকে ভারতে নিয়ে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দিয়েছেন। বলে দিয়েছেন, হাতে সময় খুব বেশি নেই। কিন্তু ভারতে চিকিৎসা করাতে কম করে হলেও ১০ লাখ টাকা প্রয়োজন। ফাতেমা জানালেন, তাঁর চার মেয়ে। শামীমা সবার ছোট। তিন মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে। শামীমা যখন দশম শ্রেণিতে পড়েন, তখন বাবা মারা যান। এর আগে স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে তিন বছর বিছানায় পড়ে ছিলেন। তাঁর চিকিৎসায়ও প্রচুর খরচ করতে হয়। শামীমা ও তাঁর মা থাকেন রাজধানীর মধ্যবাড্ডায়। যে বাড়িতে থাকেন, এর দেখাশোনার দায়িত্ব তাঁদের ওপরই। তাই ঘরের জন্য ভাড়া দিতে হয় না। ফুলবাড়িয়া বাজার থেকে কাপড় কিনে এনে মানুষের কাছে বিক্রি করেন ফাতেমা বেগম। শামীমা বলেন, ‘পায়ের টিউমারটা ছড়িয়ে গেছে বেশ কিছু জায়গায়। পা ফুলে যাওয়াতে কৃত্রিম পা লাগাতে পারি না। হাঁটতে পারি না বলে এখন ঘরে বসা। গত সেপ্টেম্বরে অনার্সের রেজাল্ট দিয়েছে। ঠিকমতো ক্লাস করতে পারিনি। তারপরও প্রথম বিভাগ পেয়েছি। কিন্তু এখন তো ঘরে বসে থাকা ছাড়া উপায় নেই। বোনেরা এ পর্যন্ত সাহায্য করেছে। তারাই-বা আর কত করবে?’ এই মা ও মেয়ের পাশে দাঁড়িয়েছেন বাংলাদেশ টেলিভিশনের সাবেক কর্মকর্তা ফাতেমা মাহবুব।তিনি বলেন, ‘আমি বিভিন্ন ক্লাবের সঙ্গে যুক্ত। ক্লাবের নারীদের সঙ্গে মিলে এই মা ও মেয়েকে বিভিন্নভাবে সহায়তা করছি। কিন্তু এখন তো অনেক টাকার প্রয়োজন। আমাদের পক্ষে তা সংগ্রহ করা সম্ভব হচ্ছে না। সমাজের উচ্চবিত্তরা শামীমার চিকিৎসায় এগিয়ে এলে এই মায়ের চোখের পানি ফেলতে হতো না। চোখের সামনে বিনা চিকিৎসায় মেয়েটা মারা যাবে, তা মানতে পারছেন না এই মা।’ কেউ সহায়তা করতে চাইলে শামীমা আক্তারের ইসলামী ব্যাংক, মধ্যবাড্ডা শাখার অ্যাকাউন্ট নম্বর ২০৫০৩১০০২০০২৮০২০৪-এ সহায়তা করতে পারেন। শামীমা আক্তারের মা ফাতেমা বেগমের মুঠোফোন ও ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর ০১৮১৮১৬৭৮৫৯-এও যোগাযোগ করা যাবে।

রাস্তার উপর কাঁচাবাজার, সিএনজি স্ট্যান্ড


কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রোডে টমছম ব্রিজ বাখরাবাদ চলাচলের রাস্তা

UgQg weªR evLivev` mo‡Ki †envj Ae¯’v;
‡ivMx I mvaviY gvby‡li †fvMvwšÍ Pi‡g
ewkiæj Bmjvg: 

Kzwgjøv kn‡ii UgQg weªR †_‡K evLivev` iv¯Ív `xN© cuvP eQi †givgZ Kiv nqwb| G iv¯Ív w`‡q ‡bvqvLvjx, Pv`cyi, eªvþbevwoqv, †dbx, jÿxcyi mn wewfbœ Dc‡Rjv †_‡K AvMZ †ivMx I †ivMxi ¯^Rbiv  Kzwgjøv †gwW‡Kj K‡jR nvmcvZv‡j cÖ‡ek K‡i|  UgQg weªR evLivev` moKwU G‡ZvB Lvivc †h GB iv¯Ív w`‡q eo ai‡bi hvbevnb PjvPj Ki‡Z cvi‡Q bv| wKQz wKQz hvbevnb PjvPj Ki‡Z wM‡q bó n‡”Q Avevi wKQz weKj n‡q ci‡Q| G‡Z K‡i mvaviY gvby‡li †fvMvwšÍ Pi‡g †cЇQ‡Q| we‡klZ Mf©eZx gwnjv mn Ab¨vb¨ ¸iæZi Amy¯’¨ †ivMx‡`i mgm¨v †ewk n‡”Q| A‡b‡K mgq iv¯Ívq ‡Wwjfvix n‡”Q|  cÖkvm‡bi `„wó covi c‡i I †Kvb e¨e¯’v MÖnb Kiv n‡”Q bv| mvaviY gvby‡li `vex moK wefvM mvaviY gvby‡li Rxeb wb‡q †Ljv Ki‡Q| GB iv¯Ív w`‡q A‡bK cÖkvmwbK Kg©KZ©v Kg©Pvix hvZvqvZ K‡i A‡bK †ivMx mn †ivMxi †jvK hvZvqvZ K‡i A_P GB iv¯ÍvwUi GB Ae¯’v| MZ wKQz w`b c~‡e© GK †Wwjfvix †ivMx Bwc‡R‡Wi mvg‡bi iv¯Ívq †Wwjfvix Ki‡Z eva¨ n‡q‡Q|  iv¯ÍvwU w`‡q †ivMx‡`i hvZvqv‡Z cÖPÛ Kó nq e‡j Rvwb‡q‡Q Pvw›`bvi mvjgv bv‡gi GK †ivMx|
cÖwZw`b GB iv¯Ív w`‡q PjvPj K‡i  Kzwgjøv †gwW‡Kj K‡jR nvmcvZvj, Kzwgjøv bvwm©s Bbw÷wUDU, Av`k© m`i Dc‡Rjv Kvh©vj‡qi , ¯^v¯’¨ I cwievi cwiKíbv Awdm, Kzwgjøv g¨vUm, nvBI‡q cywjk mycv‡ii Kvh©vjq, cywjk ey¨‡iv Ae Bb‡fw÷‡Mkb (wcweAvB), cwi‡ek Awa`ßi, `ybx©wZ `gb Kwgkb, gv`Kvm³ wPwKrmv I cyb©evmb †K›`ª mg~n, dvbUvD‡b Avmv we‡bv`b †cÖgx, gqbvgwZ nvmcvZvj mn Av‡iv K‡qKwU ‡emiKvwi wK¬wbK I nvmcvZv‡ji Kg©KZ©v Kg©Pvix, wkÿK-wkÿv_©x Ges  †ivMx I mvaviY RbMb|

wKš‘ MZ 5eQ‡ii I AwaK mgq a‡i GB iv¯Ívi eo ai‡bi ms¯‹vi KvR bv nIqvq iv¯ÍvwU cÖvq e¨envi Abyc‡hvMx| ZviciI moK wefvM gv‡S gv‡S GB iv¯Ívq wWcvU©‡g›Uj ‡givg‡Zi KvR K‡i _v‡K| ‡QvU ‡QvU ‡givgZ KvR ¸‡jv BU ïiwK w`‡q Kivi Kvi‡Y GKUz e„wó‡Z wf‡R eo Mvwoi Pvcvq bó n‡q cybivq †mLv‡b Avevi M‡Z©i m„wó nq| d‡j †QvU †QvU MZ©¸‡jv µgvš^‡q eo n‡q Lv‡` cwiYZ n‡”Q| m‡iRwg‡b wM‡q iv¯Ív Ny‡i †`Lv hvq, UgQg weªR †PŠiv¯Ív †_‡K ïiæ K‡i Puvcvcyi ch©šÍ cÖvq †QvU eo 30wU MZ© i‡q‡Q| GB MZ© ¸‡jv‡Z A‡bK mgq A‡Uvwi·, wi·v, ‡ivMx enbKvix G¨v¤^y‡jÝ c‡i wM‡q bó n‡”Q Avi mvaviY gvbyl Pig †fvMvwšÍi ¯^xKvi n‡”Q| ïay ZvB bq A‡b‡K GB M‡Z©i Kvi‡Y `~N©Ubvi ¯^xKvi I n‡”Q|   GKB mv‡_ †hgb †ivMxi ÿwZ n‡”Q mv‡_ mv‡_ hvbevn‡bi I ÿwZ n‡”Q cÖwZwbqZ| Be‡bZvBwgqv ¯‹zj, Bwc‡R‡Wi mvg‡bi iv¯Ív, Xzwjcvov †PŠgynbx, dzj eb †eKvix I Wvqbv ‡eKvixi mvg‡b , Kzwgjøv †gwW‡Kj K‡jR nvmcvZv‡ji  m¤§y‡L, †nj_wfD wmwU¯‹¨vb mvwf©‡mm, mvwb KwgDwbwU †m›Uv‡ii mvg‡b GKB Ae¯’v| GB iv¯Ív w`‡q cÖkvm‡bi wewfbœ ch©v‡qi †jvK mn evLivev` Awd‡mi Kg©KZ©v Kg©Pvix mn ‡Rjvi wewfbœ Dc‡Rjvi ¯^v¯’¨ wefv‡Mi JlavMvi Jla mieivn K‡i _v‡K| wKš‘ GB ¸iæZ¡c~Y© moKwUi †envj Ae¯’v mvaviY gvby‡li g‡a¨ A‡bKUv †ÿv‡fi m„wó K‡i| ZvB mvaviY gvby‡li `vex †`k †hfv‡e G¸‡”Q iv¯ÍvNvU ¸‡jvI †hb †mfv‡e †givgZ Kiv nq|   
evsjvwjs‡K Kv÷gvi‡Kqv‡i Kg©iZ ‡gv: gwgbyj Bmjvg Rvbvb, GB iv¯Ív w`‡q cÖwZw`b Avmv hvIqv Kivi mgq Ae¯’v Ggb g‡b nq  †hb GB GjvKvq ‡Kvb Rb cÖwZwbwa †bB Ges miKvix †Kvb †jvK Avmv hvIqv K‡ibv| A_P GB iv¯Ívq GKwU Dc‡Rjv mn K‡qKwU miKvwi I †emiKvwi Awdm I Kvh©vjq i‡q‡Q| iv¯Ív w`‡q hvZvqv‡Zi mgq Av‡iv g‡b nq GB †Kvb A‡RvcvovMvq G‡mwQ | iv¯ÍvwU w`‡q PjvP‡j my¯’¨ †jv‡Ki I kvixwiK mgm¨v nq Avi Amy¯’¨ †jvK Av‡iv Amy¯’¨ n‡”Q|


moK I Rbc` wefv‡Mi Dc-wefvMxq cÖ‡KŠkjxi mv‡_ †hvMv‡hvM Kiv n‡j wZwb e‡jb, GB iv¯ÍvwU `xN©w`b a‡i †givgZ bv nIqvi Kvi‡Y wKQz w`b ci ci iv¯ÍvwU bó n‡”Q | iv¯ÍvwU bó n‡j I gv‡S gv‡S Avgiv wWcvU©‡g›Uvj †givgZ KvR K‡i AvmwQ| Avgiv GB iv¯ÍvwU AwZ kxNªB †givgZ Kie | B‡Zvg‡a¨ GB iv¯ÍvwU‡K cÖ‡R‡±i AvIZvq G‡b eo ai‡bi KvR Kivi wPšÍv fvebv KiwQ|